Uterus Meaning in Bengali: জরায়ু কী? এর কাজ, গঠন ও গর্ভধারণে ভূমিকা

Last updated: September 17, 2026

Overview

জরায়ু মহিলাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা গর্ভধারণ ও সন্তান ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই লেখায় জরায়ু কী, কোথায় থাকে, এর গঠন ও কাজ কী, এবং গর্ভধারণের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী, তা সহজভাবে বলা হয়েছে। পাশাপাশি জরায়ুর সাধারণ সমস্যা, পরীক্ষা এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার, সেগুলিও তুলে ধরা হয়েছে। 

Uterus কী? জরায়ুর বাংলা অর্থ ও পরিচয়

Uterus meaning in Bengali হল জরায়ু।  যাকে অনেকে সহজ ভাষায় গর্ভাশয় বা womb-ও বলে। এটি নারীর প্রজনন তন্ত্রের একটি ফাঁপা, পেশিবহুল অঙ্গ, দেখতে অনেকটা উল্টানো নাশপাতির মতো। এটি তলপেটে, মূত্রথলি আর মলদ্বারের মাঝখানে থাকে। 

জরায়ুর গঠন কেমন?

জরায়ুর গঠন বুঝতে গেলে প্রথমে এর আকৃতিটা কল্পনা করা সহজ। সামনে থেকে দেখলে জরায়ু অনেকটা উল্টো করে রাখা নাশপাতির মতো দেখতে। আবার পাশ থেকে দেখলে এর আকৃতি কিছুটা বাঁকানো বা শিমের মতো মনে হতে পারে। এই অঙ্গটি শরীরের পেলভিস-এর মধ্যে থাকে এবং bladder-এর পিছনে ও রেকটাম-এর সামনে অবস্থান করে।

প্রেগন্যান্সি না থাকলে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার জরায়ু সাধারণত ছোট আকারের হয়, প্রায় একটা মুঠোর সমান। এর গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ২ ইঞ্চি হতে পারে। তবে বয়স, প্রেগন্যান্সি রেকর্ড  এবং অন্যান্য শারীরিক কারণে জরায়ুর আকারে কিছুটা পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক।

জরায়ুর প্রধান অংশগুলি হল:

জরায়ুকে শুধু একটি অঙ্গ হিসেবে না দেখে এর বিভিন্ন অংশ আলাদা করে বুঝলে জরায়ুর গঠন আরও পরিষ্কার হয়।

  • জরায়ুর উপরের অংশ হলো ফান্ডাস: এটি জরায়ুর একেবারে ওপরের দিকের গোলাকার অংশ। দুই পাশে এখানকার কাছাকাছি fallopian tube-এর সংযোগ রয়েছে।
  • কর্পাস: এটি জরায়ুর সবচেয়ে বড় অংশ। প্রেগন্যান্সির সময় এম্ব্রয় (embryo) সাধারণত এই অংশের ভিতরের আস্তরণে বা এন্ডোমেট্রিয়ামের ইমপ্লান্ট করে এবং পরে ফেটাস-এর বৃদ্ধি ঘটে।
  • ইস্থমাস: এটি জরায়ুর গায়ে এবং সার্ভিক্সের মাঝখানে থাকা অপেক্ষাকৃত সরু অংশ।
  • জরায়ুমুখ সার্ভিক্স: জরায়ুর নিচের অংশকে সার্ভিক্স বা জরায়ুমুখ বলা হয়। 

জরায়ুর প্রধান কাজ কী?

জরায়ু প্রজনন স্বাস্থ্যে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  মাসিক চক্র থেকে শুরু করে নিষিক্ত ডিম্বাণুর স্থাপন, গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বেড়ে ওঠা এবং সন্তান প্রসব, প্রতিটি পর্যায়েই জরায়ুর আলাদা ভূমিকা রয়েছে।  

  • মাসিক চক্র 

প্রতি মাসে হরমোনের প্রভাবে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণ ধীরে ধীরে পুরু হয়। এর উদ্দেশ্য হল, গর্ভধারণ হলে নিষিক্ত ডিম্বাণু যাতে সেখানে স্থাপন হতে পারে, তার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।

যদি সেই মাসে গর্ভধারণ না হয়, তাহলে জরায়ুর ভেতরের এই আস্তরণের একটি অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এটিই মাসিক হিসেবে দেখা যায়। এই সময় জরায়ুর পেশি সংকুচিত হওয়ার কারণে অনেকের তলপেটে ব্যথা বা খিঁচ ধরার মতো অনুভূতি হতে পারে।

  • নিষিক্ত ডিম্বাণুর স্থাপন করে 

গর্ভধারণের প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন সাধারণত ডিম্বনালিতে ঘটে এবং এই মিলনে ফলে যদি ডিম্বাণু সফল ভাবে নিষিক্ত হয় তাহলে সৃষ্ট ভ্রূণটি জরায়ুতে চলে আসে। 

জরায়ুর ভেতরে আস্তরণে ভ্রূণ ঠিকভাবে স্থাপন হলে গর্ভধারণের পরের ধাপ শুরু হয়। এটি প্রেগন্যান্সির প্রথম পর্যায় যেতে জরায়ু একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রদান করে।

  • গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে  

জরায়ু ও গর্ভধারণের মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। জরায়ুর ভেতরে আস্তরণে ভ্রুনকে সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে, এবং সেই অনুযায়ী প্রসারিতও হতে থাকে। 

এই ক্ষেত্রে প্লাসেন্টা দ্বারা গর্ভস্থ শিশুর কাছে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছায় এবং গর্ভাবস্থায় শিশুর বিকাশে সাহায্য হয়। 

  • সন্তান প্রসাবে সাহায্য করে 

গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় জরায়ুর পেশিতে নিয়মিত সংকোচন শুরু হয়। এই সংকোচনের ফলে জরায়ুমুখ ধীরে ধীরে খুলতে থাকে। পরে সেই সংকোচন শিশুকে জন্মনালির দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

অর্থাৎ, জরায়ুর প্রধান কাজ শুধু গর্ভস্থ শিশুকে ধারণ করা নয়। মাসিক চক্র, ভ্রূণের স্থাপন, গর্ভাবস্থায় শিশুর বেড়ে ওঠা এবং সন্তান প্রসব, সবকিছুর সঙ্গেই জরায়ুর গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

জরায়ু ও Fertility-এর মধ্যে সম্পর্ক

গর্ভধারণের ক্ষেত্রে জরায়ুর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে তৈরি ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরের আস্তরণে এসে বসে, যাকে এন্ডোমেট্রিয়াম বলা হয়। তাই জরায়ুর গঠন বা ভেতরের অবস্থায় কোনও সমস্যা থাকলে কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণে বা গর্ভধারণ টিকিয়ে রাখতে প্রভাব পড়তে পারে।

এই কারণেই বন্ধ্যাত্বের কারণ খোঁজার সময় শুধু ডিম্বাশয় বা শুক্রাণুর দিকটি দেখা হয় না, জরায়ুর অবস্থাও পরীক্ষা করা হয়। মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের কারণ ও পরীক্ষা সম্পর্কে ইন্দিরা IVF-এর এই বিস্তারিত গাইডটি দেখতে পারেন। 

জরায়ুর সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা

Fibroids কী?

ফাইব্রয়েড হল জরায়ুর পেশির স্তরে তৈরি হওয়া এক ধরনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। এগুলি সাধারণত ক্যানসার নয় এবং আকারেও ছোট-বড় হতে পারে। কারও জরায়ুতে একটি ফাইব্রয়েড থাকতে পারে, আবার কারোর একাধিকও হতে পারে।

অনেকের ক্ষেত্রে ফাইব্রয়েড থাকলেও কোনও সমস্যা হয় না। আবার কারও মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত, বেশি ব্যথা, তলপেটে চাপ বা ভারী লাগার মতো সমস্যা হতে পারে।

Endometriosis জরায়ুকে কীভাবে প্রভাবিত করে?

জরায়ুর ভেতরের আস্তরণের মতো টিস্যু যদি  জরায়ুর বাইরে বেড়ে ওঠে তাহলে সেটাকে এন্ডোমেট্রিওসি। এটি ডিম্বাশয়, ডিম্বনালি বা পেলভিসের অন্য অংশেও থাকতে পারে।

এর ফলে মাসিকের সময় খুব বেশি ব্যথা, তলপেটে দীর্ঘদিন ব্যথা বা সহবাসের সময় ব্যথা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Adenomyosis কী?

অ্যাডেনোমায়োসিস হলে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণের মতো টিস্যু জরায়ুর পেশির স্তরের মধ্যে ঢুকে বাড়তে শুরু করে। এর ফলে জরায়ু কিছুটা বড় হতে পারে এবং মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত বা বেশি ব্যথা হতে পারে।

কিছু মানুষের তলপেটে দীর্ঘদিন ব্যথা থাকতে পারে, আবার কারও কোনও লক্ষণই নাও থাকতে পারে। তাই শুধু উপসর্গ দেখে অ্যাডেনোমায়োসিস নিশ্চিত করা যায় না।

জরায়ুর স্বাস্থ্য কীভাবে পরীক্ষা করা হয়?

জরায়ুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন চিকিৎসার পদ্ধতি নেওয়া হয় , তার মধ্যে কিছু প্রধান পরীক্ষা গুলো হলো:

  • আল্ট্রাসাউন্ড 

জরায়ু, ডিম্বাশয় এবং আশপাশের অংশ দেখতে এটি সাধারণ পরীক্ষা। এতে জরায়ুতে ফাইব্রয়েড, সিস্ট বা অন্য কোনও অস্বাভাবিকতা আছে কি না দেখা যায়। 

  • এইচএসজি পরীক্ষা

গর্ভধারণে সমস্যা হলে এই পরীক্ষা করা হয়। এতে জরায়ুর ভেতরের গঠন এবং ডিম্বনালির পথ খোলা আছে কি না, তা দেখা যায়। তবে শুধু জরায়ু দেখার জন্য সবার এই পরীক্ষা দরকার হয় না। 

  • হিস্টেরোস্কোপি 

জরায়ুর ভেতরে দেখার জন্য এই হিস্টেরোস্কোপি পরীক্ষা করা হয়। একটি সরু যন্ত্রের সঙ্গে ছোট ক্যামেরা থাকে, সেটি জরায়ুমুখ দিয়ে জরায়ুর ভিতরে নিয়ে দেখা হয়। পলিপ, কিছু ধরনের ফাইব্রয়েড বা জরায়ুর ভেতরের অন্য সমস্যা খুঁজে বের করতে এটি ব্যবহার করা হয়। 

জরায়ুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কী কী করা যায়?

জরায়ুর জন্য আলাদা করে কোনও “বিশেষ” উপায় আছে, যা করলেই জরায়ু সুস্থ থাকবে, এমন নয়। জরায়ুর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য মূলত নিজের শরীর ও প্রজনন স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া দরকার। কিছু সাধারণ অভ্যাস এক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে:

  • খাবারের দিকে নজর রাখুন। প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফল, ডাল, গোটা শস্য, প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিজের খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন। ফাস্টফুড বা বেশি তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার না খাওয়াই ভালো।
  • ওজন খুব বেশি বা কম হয়ে গেলে গুরুত্ব দিন। ওজনের পরিবর্তন মাসিক ও ডিম্বস্ফোটনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিজের শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করা ভালো।
  • ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে যদি গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকে। এগুলি প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • মাসিকের পরিবর্তনকে হালকা করে দেখবেন না। হঠাৎ খুব বেশি রক্তপাত, অনেকদিন ধরে তীব্র ব্যথা, মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত বা বারবার তলপেটে ব্যথা হলে কারণটা জানা দরকার। 

জরায়ু ও Pregnancy নিয়ে সাধারণ ভুল ধারণা

জরায়ু নিয়ে অনেকেরই কিছু ভুল ধারণা থাকে, বিশেষ করে যখন বিষয়টি গর্ভধারণের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। যেমন:

  • “ফাইব্রয়েড থাকলেই IVF করতে হবে”

না। ফাইব্রয়েড ধরা পড়া আর IVF দরকার হওয়া, দুটো এক কথা নয়। অনেক ফাইব্রয়েড কোনও সমস্যাই করে না এবং সব ক্ষেত্রেই চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু ফাইব্রয়েড, বিশেষ করে যেগুলি জরায়ুর ভিতরের অংশকে প্রভাবিত করে, ফার্টিলিটিতে সমস্যা করতে পারে, তখন চিকিৎসক পুরো বিষয়টা দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করেন।

  • “জরায়ুর সমস্যা থাকলে মিসক্যারেজ হবেই ”

কিছু জরায়ুর সমস্যা বা নির্দিষ্ট ধরনের ফাইব্রয়েড মিসক্যারেজ-এর ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে প্রেগন্যান্সি হলেই মিসক্যারেজ  হবে। ঝুঁকি নির্ভর করে সমস্যার ধরন এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর। 

  • “পিরিয়ডে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক”

পিরিয়ডের সময় কিছুটা ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। কিন্তু প্রতি মাসে এমন ব্যথা হওয়া, যার জন্য কাজ বন্ধ রাখতে হয়, স্কুল বা অফিসে যাওয়া কঠিন হয়ে যায় বা স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়, সেটাকে শুধু ‘স্বাভাবিক পিরিয়ডের ব্যথা’ বলে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

এমন ব্যথার পেছনে এন্ডোমেট্রিওসিস বা এডেনোমায়োসিস-এর মতো কারণ থাকতে পারে। এন্ডোমেট্রিওসিস-এর ক্ষেত্রে তীব্র পিরিয়ডের ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী তলপেটের ব্যথা এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এডেনোমায়োসিস-এর ক্ষেত্রেও খুব ব্যথাযুক্ত বা বেশি রক্তপাতের মাসিক হতে পারে।

  • “জরায়ু একটু বাঁকা হলে গর্ভধারণে সমস্যা হয়”

অনেকে মনে করেন জরায়ু সামনের দিকে বা পিছনের দিকে একটু হেলে থাকলে প্রেগন্যাসিতে সমস্যা হয়। আসলে জরায়ুর অবস্থানে এমন স্বাভাবিক পার্থক্য থাকতে পারে এবং শুধু জরায়ু একটু পিছনের দিকে হেলে আছে বলেই ইনফার্টিলিটি হয় না। তাই পরীক্ষায় “tilted” বা “retroverted uterus” লেখা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে দুশ্চিন্তা করার কারণ নেই। 

জরায়ু সম্পর্কিত সমস্যায় কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত?

জরায়ু বা মাসিক সংক্রান্ত কোনও পরিবর্তন হলেই ভয় পাওয়ার দরকার নেই। অনেক সমস্যার কারণ সাধারণও হতে পারে। তবে কিছু লক্ষণ বারবার হলে বা দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা তৈরি করলে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে স্ত্বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা ভালো।

বিশেষ করে যদি—

  • মাসিক হঠাৎ খুব বেশি হয়ে যায় বা আগের তুলনায় অনেক বেশি দিন ধরে চলে।
  • মাসিকের ব্যথা এতটাই বেশি হয় যে কাজকর্ম, ঘুম বা স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
  • দুই মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত হয় বা সহবাসের পর রক্তপাত দেখা যায়।
  • তলপেটে বা শ্রোণির কাছে বারবার ব্যথা  হচ্ছে বা ব্যথা কমছে না।
  • আগে থেকে জরায়ুতে কোনও সমস্যা ধরা পড়েছে এবং তার সঙ্গে নতুন কোনো উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
  • দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ হচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে শুধু মহিলার নয়, দুজনেরই পরীক্ষা করা দরকার হতে পারে।

মূল বিষয়গুলি

জরায়ু নিয়ে জানার সময় শুধু গর্ভধারণের কথাই ভাবলে বিষয়টি অসম্পূর্ণ থেকে যায়, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও জানা দরকার যেগুলো সহজ করে বললে:

  • Uterus-এর বাংলা অর্থ জরায়ু। এটি শরীরের তলপেটের ভেতরে থাকা একটি পেশিবহুল অঙ্গ।
  • গর্ভধারণ হলে ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরের আস্তরণে বসে এবং সেখানেই ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে।
  • জরায়ুর গঠন বা স্বাস্থ্যে কোনও সমস্যা থাকলে কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণ বা গর্ভাবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে। তবে জরায়ুতে সমস্যা মানেই গর্ভধারণ সম্ভব নয়, এমনটা ঠিক নয়।
  • অতিরিক্ত রক্তপাত, খুব বেশি মাসিকের ব্যথা, মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত বা দীর্ঘদিনের তলপেটের ব্যথাকে সবসময় স্বাভাবিক ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।
  • গর্ভধারণে সমস্যা হলে শুধু জরায়ু নয়, ডিম্বাণু, ডিম্বস্ফোটন, ডিম্বনালি, শুক্রাণু এবং অন্যান্য বিষয়ও দেখা হয়। তাই প্রয়োজন হলে দুজনেরই পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
  • কোনও রিপোর্ট হাতে পেলেই নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, সেই রিপোর্টের সঙ্গে থাকা লক্ষণ ও অন্যান্য পরীক্ষার ফল মিলিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

Frequently Asked Questions

Uterus-এর বাংলা অর্থ কী?

জরায়ু কী?

জরায়ু শরীরের কোথায় থাকে?

জরায়ুর প্রধান কাজ কী?

জরায়ু Pregnancy-তে কী ভূমিকা পালন করে?

জরায়ুর সঙ্গে Fertility-এর কী সম্পর্ক?

জরায়ুর সাধারণ রোগগুলি কী কী?

জরায়ুর Fibroids কি Pregnancy-কে প্রভাবিত করতে পারে?

জরায়ু পরীক্ষা করার জন্য কোন Test করা হয়?

জরায়ু সংক্রান্ত সমস্যার জন্য কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?

Disclaimer: The information provided here serves as a general guide and does not constitute medical advice. We strongly advise consulting a certified fertility expert for professional assessment and personalized treatment recommendations.
© 2026 Indira IVF Hospital Limited. All Rights Reserved. T&C Apply | Privacy Policy| *Disclaimer